বাংলাদেশের জরুরি ডায়াল কোড

সাম্প্রতিক লেখা

শনিবার, জানুয়ারি ১৪

সংখ্যা রঙ্গ সমগ্রঃ সংখ্যার পিরামিড

গাণিতিক সংখ্যা দিয়ে মজার অনেক কিছু করা যায়।এর মধ্যে সংখ্যার পিরামিড একটি। নিচের এগুলিকে বলা হয় সংখ্যার পিরামিড। অসংখ্য সংখ্যার পিরামিড রয়েছে আমার জানা, তারচেয়েও অনেক অনেক রয়েছে আমার অজানা। জানাগুলি থেকে অল্প কিছু এখানে শেয়ার করলাম।

জানি সবাই কিন্তু লক্ষকরা হয়না তেমন করে……

১১ x ১১ = ১২১
১১১ x ১১ = ১২২১
১১১১ x ১১ = ১২২২১
১১১১১ x ১১ = ১২২২২১
১১১১১১ x ১১ = ১২২২২২১
১১১১১১১ x ১১ = ১২২২২২২১
১১১১১১১১ x ১১ = ১২২২২২২২১
১১১১১১১১১ x ১১ = ১২২২২২২২২১
১১১১১১১১১১ x ১১ = ১২২২২২২২২২১

১১ x ২২ = ২৪২
১১১ x ২২ = ২৪৪২
১১১১ x ২২ = ২৪৪৪২
১১১১১ x ২২ = ২৪৪৪৪২
১১১১১১ x ২২ = ২৪৪৪৪৪২
১১১১১১১ x ২২ = ২৪৪৪৪৪৪২
১১১১১১১১ x ২২ = ২৪৪৪৪৪৪৪২
১১১১১১১১১ x ২২ = ২৪৪৪৪৪৪৪৪২
১১১১১১১১১১ x ২২ = ২৪৪৪৪৪৪৪৪৪২

২২ x ১১ = ২৪২
২২২ x ১১ = ২৪৪২
২২২২ x ১১ = ২৪৪৪২
২২২২২ x ১১ = ২৪৪৪৪২
২২২২২২ x ১১ = ২৪৪৪৪৪২
২২২২২২২ x ১১ = ২৪৪৪৪৪৪২
২২২২২২২২ x ১১ = ২৪৪৪৪৪৪৪২
২২২২২২২২২ x ১১ = ২৪৪৪৪৪৪৪৪২
২২২২২২২২২২ x ১১ = ২৪৪৪৪৪৪৪৪৪২

১১ x ৩৩ = ৩৬৩
১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৩
১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৩
১১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৬৩
১১১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৬৬৩
১১১১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৬৬৬৩
১১১১১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৬৬৬৬৩
১১১১১১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৬৬৬৬৬৩
১১১১১১১১১১ x ৩৩ = ৩৬৬৬৬৬৬৬৬৬৩

৩৩ x ১১ = ৩৬৩
৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৩
৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৩
৩৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৬৩
৩৩৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৬৬৩
৩৩৩৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৬৬৬৩
৩৩৩৩৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৬৬৬৬৩
৩৩৩৩৩৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৬৬৬৬৬৩
৩৩৩৩৩৩৩৩৩৩ x ১১ = ৩৬৬৬৬৬৬৬৬৬৩

উপরের সংখ্যারঙ্গগুলির মাঝে এটা সাধারন ধারা রয়েছে। সেই ধরা ধরে একই ভাবে বাকি গুলি নিজেরা তৈরি করে নিবেন।

১২ x ৯ = ১০৮
১২৩ x ৯ = ১১০৭
১২৩৪ x ৯ = ১১১০৬
১২৩৪৫ x ৯ = ১১১১০৫
১২৩৪৫৬ x ৯ = ১১১১১০৪
১২৩৪৫৬৭ x ৯ = ১১১১১১০৩
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ = ১১১১১১১০২
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ = ১১১১১১১১০১

১২ x ৯ + ১ = ১০৯
১২৩ x ৯ + ২ = ১১০৯
১২৩৪ x ৯ + ৩ = ১১১০৯
১২৩৪৫ x ৯ + ৪ = ১১১১০৯
১২৩৪৫৬ x ৯ + ৫ = ১১১১১০৯
১২৩৪৫৬৭ x ৯ + ৬ = ১১১১১১০৯
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ + ৭ = ১১১১১১১০৯
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ + ৮ = ১১১১১১১১০৯

১২ x ৯ + ১ = ১০৯
১২৩ x ৯ + ১ = ১১০৮
১২৩৪ x ৯ + ১ = ১১১০৭
১২৩৪৫ x ৯ + ১ = ১১১১০৬
১২৩৪৫৬ x ৯ + ১ = ১১১১১০৫
১২৩৪৫৬৭ x ৯ + ১ = ১১১১১১০৪
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ + ১ = ১১১১১১১০৩
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ + ১ = ১১১১১১১১০২

১ x ৯ – ১ = ০৮
১২ x ৯ – ১ = ১০৭
১২৩ x ৯ – ১ = ১১০৬
১২৩৪ x ৯ – ১ = ১১১০৫
১২৩৪৫ x ৯ – ১ = ১১১১০৪
১২৩৪৫৬ x ৯ – ১ = ১১১১১০৩
১২৩৪৫৬৭ x ৯ – ১ = ১১১১১১০২
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ – ১ = ১১১১১১১০১
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ – ১ = ১১১১১১১১০০

৪৪ x ৪ = ১৭৬
৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৬
৪৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৭৬
৪৪৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৭৭৬
৪৪৪৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৭৭৭৬
৪৪৪৪৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৭৭৭৭৬
৪৪৪৪৪৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৭৭৭৭৭৬
৪৪৪৪৪৪৪৪৪ x ৪ = ১৭৭৭৭৭৭৭৭৬

৫৫ x ৫ = ২৭৫
৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৫
৫৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৭৫
৫৫৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৭৭৫
৫৫৫৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৭৭৭৫
৫৫৫৫৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৭৭৭৭৫
৫৫৫৫৫৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৭৭৭৭৭৫
৫৫৫৫৫৫৫৫৫ x ৫ = ২৭৭৭৭৭৭৭৭৫

৬৬ x ৬ = ৩৯৬
৬৬৬ x ৬ = ৩৯৯৬
৬৬৬৬ x ৬ = ৩৯৯৯৬
৬৬৬৬৬ x ৬ = ৩৯৯৯৯৬
৬৬৬৬৬৬ x ৬ = ৩৯৯৯৯৯৬
৬৬৬৬৬৬৬ x৬ = ৩৯৯৯৯৯৯৬
৬৬৬৬৬৬৬৬ x ৬ = ৩৯৯৯৯৯৯৯৬
৬৬৬৬৬৬৬৬৬ x ৬ = ৩৯৯৯৯৯৯৯৯৬

৭৭ x ৭ = ৫৩৯
৭৭৭ x ৭ = ৫৪৩৯
৭৭৭৭ x ৭ = ৫৪৪৩৯
৭৭৭৭৭ x ৭ = ৫৪৪৪৩৯
৭৭৭৭৭৭ x ৭ = ৫৪৪৪৪৩৯
৭৭৭৭৭৭৭ x ৭ = ৫৪৪৪৪৪৩৯
৭৭৭৭৭৭৭৭ x ৭ = ৫৪৪৪৪৪৪৩৯
৭৭৭৭৭৭৭৭৭ x ৭ = ৫৪৪৪৪৪৪৪৩৯

৮৮ x ৮ = ৭০৪
৮৮৮ x ৮ = ৭১০৪
৮৮৮৮ x ৮ = ৭১১০৪
৮৮৮৮৮ x ৮ = ৭১১১০৪
৮৮৮৮৮৮ x ৮ = ৭১১১১০৪
৮৮৮৮৮৮৮ x ৮ = ৭১১১১১০৪
৮৮৮৮৮৮৮৮ x ৮ = ৭১১১১১১০৪
৮৮৮৮৮৮৮৮৮ x ৮ = ৭১১১১১১১০৪

৯৯ x ৯ = ৮৯১
৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯১
৯৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯৯১
৯৯৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯৯৯১
৯৯৯৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯৯৯৯১
৯৯৯৯৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯৯৯৯৯১
৯৯৯৯৯৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯৯৯৯৯৯১
৯৯৯৯৯৯৯৯৯ x ৯ = ৮৯৯৯৯৯৯৯৯১

১১১ X ১ – ১ = ১১০
১১১১ X ২ – ২ = ২২০
১১১১১ X ৩ – ৩ = ৩৩৩০
১১১১১১ X ৪ – ৪ = ৪৪৪৪০
১১১১১১১ X ৫ – ৫ = ৫৫৫৫৫০
১১১১১১১ X ৬ – ৬ = ৬৬৬৬৬৬০
১১১১১১১১ X ৭ – ৭ = ৭৭৭৭৭৭৭০
১১১১১১১১১ X ৮ – ৮ = ৮৮৮৮৮৮৮৮০
১১১১১১১১১১ X ৯ – ৯ = ৯৯৯৯৯৯৯৯৯০

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ‘ফ্রীল্যান্সার’ টিউটোরিয়ালঃ পর্ব ১

বর্তমান ই-কমার্স বিশ্বে আউটসোর্সিং এ সফলতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের দেশ-ও এর থেকে কোন অংশে পিছিয়ে নেই। এ পর্যন্ত যত গুলো ফ্রিলান্স সাইট আছে কোন না কোনটাতে বাংলাদেশীদের সফলতা আছেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার মধ্যে ওডেস্ক, ফ্রিলান্সার, রেন্টএকোডার, স্ক্রিপ্টলান্স উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় কয়েক হাজার কাজ রয়েছে এই সাইট গুলোতে। আমরা যারা কাজ করছি এই সাইগুলোতে এবং মোটামুটি সফল তারাতো সামনের দিনে আরো সফল হবো ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আমাদের লক্ষ থাকা উচিত নতুনদেরকেও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
সেই প্রয়াস নিয়েই আমার ফ্রিলান্সার নিয়ে লিখা শুরু করা। যতটুকু পারি পুরো ব্যাপারগুলো ধারাবাহিক বিস্তারিত জানাবো। তো চলুন ফ্রিলান্সার নিয়ে প্রথম পর্ব শুরু করা যাক…
ব্যবহারকারী নিবন্ধন প্রক্রিয়া

১. সরাসরি এই লিঙ্ক এর চলে যান। নিচের মত ব্যবহারকারী নিবন্ধন পেজ আসবে। এখানে আপনার ব্যহারকারী নাম(ইউজার নেম), ইমেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড, আপনার নাম, ঠিকানা, আপনি কি হিসাবে ফ্রিলান্সারে কাজ করবেন(এখানে Looking for both hire and work) টিক দিবেন অবশ্যই, পরের চেক বক্সগুলোচেক করা বাধ্যতামূলক নয়, তবে আপনার ইচ্ছা হলে করতে পারেন। একদম শেষ-এর চেক বক্সটি গুরুপ্তপূর্ণ। এটি আপনার গোল্ড মেম্বারশীপ এর জন্য। ফ্রিলান্সারে অভিজ্ঞতা অর্জন করে তারপর এই গোল্ড মেম্বারশীপ নেয়া উচিত। কারন গোল্ড মেম্বারশীপ এর ফি বাবদ ফ্রিলান্সার প্রতি মাসে আপনার একাউন্ট থেকে 24.95$ চার্জ কাটবে । যদিও গোল্ড মেম্বারশীপের অনেক সুবিধা আছে। কিন্তু আপনার আয় না হলে এই মেম্বারশীপ নিয়ে বরং উল্টো ক্ষতির মুখে পরবেন। এগুলো নিয়ে পরবর্তী যে কোন পোষ্ট এর আলাচনা কররো। এবার সকল তথ্য নির্ভূলভাবে স্থাপন করা হলে Join বাটন এ ক্লিক করুন।
৩. এবার আপনি যে মেইলটি দিয়ে নিবন্ধন করলেন, সেই মেইলে ভেরিফিকেশন কোড ও লিঙ্ক যাবে যেটি দিয়ে আপনি আপনার একাউন্ট-টি ভেরিফাই করবেন।
৪. আমি এখানে শুধু কোড ব্যবহার করে ভেরিফাই করেছি। কোডটি প্রবেশ করান এবং এন্টার করুন। আপনি ইচ্ছা করলে লিঙ্ক এর ক্লিক করেও ভেরিফাই করতে পারেন।

৫. ৩/৪ সেকেন্ডের মধ্যে পেজটি রিডাইরেক্ট করে আপনার নতুন একাউন্টের ড্যাশবোর্ডে চলে আসবে, ঠিক নিচের মত।
৬. সেই সাথে আপনার ইমেইলে-ও একটি একাউন্ট কনর্ফাম মেইল যাবে।
এই হল ফ্রিলান্সারে আপনার একাউন্ট নিবন্ধন এর সহজ পদ্ধতি। সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন।
প্রোফাইল সাজানোর প্রক্রিয়া

একাউন্ট তৈরী শেষ। কিন্তু এখানেই কাজ শেষ নয়। আপনার কাজ পাবার অনেক অংশে নির্ভর আপনার প্রোফাইলের উপরে। মনে রাখতে হবে, অধিকাংশ বায়ার যারা নিয়মিত সাইটে কাজ পোস্ট করে তারা কাজ দেওয়ার পূর্বে ফ্রিল্যান্সারদের প্রোফাইলকে পর্যবেক্ষণ করে। তো এবার আসুন কিভাবে আপনার প্রোফাইলকে আকর্ষনীয় করে তুলবেন তা দেখে নিই।

১. My Profile > My Qualifications এ ক্লিক করুন।
২. এখানে Websites, IT & Software, Mobile Phones & Computing, Writing & Content, Design, Media & Architecture, Data Entry & Admin, Engineering & Science, Product Sourcing & Manufacturing, Sales & Marketing, Other এই কয়টি বিভাগে অসংখ্য কাজের ধরন আছে। এখানে থেকে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে আপনি কোন কাজের জন্য উপযুক্ত সেটিকে নির্বাচন করেন। উল্লেখ্য সাধারন সদস্য হিসাবে আপনি ২৫টার বেশি কাজের ধরন নির্বাচন করতে পারবেন না। কিন্তু গোল্ড মেম্বাররা ৫০টার বেশি নির্বাচন করতে পারেন। মাসে ১০ বার কাজের ধরন পরিবর্তন করতে পারবেন।
২. Other Skills: এখানে আপনাকে কিছু দক্ষতা উল্লেখ করতে হবে যে কাজ গুলো একজন প্রোভাইডার হিসাবে আপনি করতে পারেন। তবে হ্যা যা জানেন শুধু তা-ই উল্লেখ করবেন। উদাহরন স্বরূপ: Forum Posting, Facebook, Myspace, Twitter, Data Entry, Data Processing, Graphics Design (Photoshop & Illustrator), Website Design, HTML, CSS, Web Research, Blogging & SEO, Website Promotion, Article Submission, Internet Marketing, Bulk Marketing, Google AdSense, Marketing.
৩. Vision: আপনার কি তা এখানে উল্লেখ করুন। হিসাবে আমি দিয়েছি “try to change lie yourself”
৪. Keywords: এখানেও আপনার কি তা এখানে উল্লেখ করুন। হিসাবে আমি দিয়েছি “RangpurSource”
৫. Your Average Hourly rate: প্রথম অবস্খায় 3/5$ দিতে পারেন। পরবর্তীতে আরো বেশি করে দিতে পারবেন।
৬. You’re Profile: এখানে আপনি বা আপনার কোম্পানী সম্পর্কে লিখুন।
৭. তারপর SAVE ক্লিক করুন।
৮. এবার আপনার প্রোফাইলটি দেখতে কেমন হল তা দেখতে হলে My Profile > View External Profile এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার প্রোফাইল দেখতে পারবেন।
৯. এবার দেখুন আপনার প্রোফাইল কেমন হল

১০. যেহেতু আপনি এখনো কোন প্রোজেক্ট এ বিড করেন নাই বা কোন প্রোজেক্ট বায়ার হিসাবে ওপেন করেন নাই। এই কারনে প্রথম দিকে আপনার প্রোফাইল ফাকা দেখাবে।

১১. এবার ড্যাশবোর্ডে চলুন। দেখে নিন আপনার প্রোফাইলটি কত পারসেন্ট সম্পূর্ণ হয়েছে তা প্রদর্শন করবে।
তো শুরু করে দিনে আপনার ফ্রিলান্সার ক্যারিয়ার। পরবর্তী পোষ্টে আসছে কিভাবে বিড করবেন। তো প্রস্তুত থাকুন আর চোখ রাখুন বিপি-র পোস্টিং প্যানেলে।

সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।

শুক্রবার, জানুয়ারি ১৩

বাংলাদেশ সহ যেকোনো দেশে ফ্রী SMS পাঠান

আমরা অনেকেই ফ্রী এসএমএস পাঠানোর জন্য ইন্টারনেটে সাইট খুজে বেড়াই। ফ্রী এসএমএস পাঠানো যায় এরকম অনেক সাইট থাকলেও, সত্যিকারের কার্যকর সাইট খুবই কম আছে। অনেক গুলো বেশ কিছু দিন সার্ভিস দেয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। তবে বাংলাদেশ সহ যেকোনো দেশে ফ্রী SMS পাঠাতে নিচের সাইটটি ব্যবহার করতে পারেন।
নিচের ধাপগুলি দেখুন-
দ্বিতীয় ধাপ : আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করুন। (+88017********)

তৃতীয় ধাপ : আপনার মোবাইলে সাথে সাথে একটি এক্টিভেশন কোড আসবে। ঐ কোড আপনার একাউন্ট এ্যাক্টিভ করুন।

চতুর্থ ধাপ : আপনার প্রোফাইলের তথ্যগুলি সঠিক ভাবে ফিলাপ করুন।

পঞ্চম ধাপ : আপনার প্রোফাইলে একটি নতুন ছবি যোগ করুন।

এবার আপনি ফ্রি এসএমএস পাঠাতে থাকুন! প্রথমে আপনি দৈনিক ১টি পাঠাতে পারবেন। কিন্তু এটি আরো বারানো সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১২

ফটোশপের টুলস মেনুর শর্টকাট এবং আরও কিছু কৌশল

ফটোশপের জন্য আরো কিছু কমান্ড শর্টকাট নিয়ে হাজির হলাম আবারো। আজকে টুলস মেনুর শর্টকাট গুলো জানবো পাশাপশি আমার পছন্দের কিছু টেকনিক শেয়ার করবো। এছাড়াও কিভাবে মাউসের মাধ্যমে দ্রুত টুলস আয়ত্ব করা যায় তাও দেখবো। আশা করি কাজে লাগবে।
টুলস শর্টকাটঃ

Eraser Tool এর জন্য আপনাকে শর্টকাট চাপতে হবে E

Cycle Screen Modes পর্দা জুড়ে ফটোশপকে দেখতে চাপুন F

Gradient / Paint Bucket Tool এর জন্য আপনাকে চাপতে হবে G

Hand Tool পেতে আপনি চাপবেন H

Eyedropper / Sampler / Measure Tool এর জন্য কি-বোর্ড থেকে I চাপুন।

Spot Healing / Healing / Patch / Red Eye এর ক্ষেত্রে J

Slice Tool এর জন্য K

Lasso Tool পেতে L

Marquee Tool পাবার জন্য M

Notes / Audio Annotation Tool ব্যবহারে N

Dodge / Burn / Sponge Tool এর ক্ষেত্রে O

Pen / Freeform Pen Tool এর জন্য P

Standard / Quick Mask Mode পেতে Q

Blur / Sharpen / Smudge Tool পেতে চাপুন R

Clone / Pattern Stamp Tool এর ক্ষেত্রে S

Type Tool (Vertical / Horizontal) পেতে T

Shape Tool এর জন্য U

Move Tool এর ক্ষত্রে V

Magic Wand Tool ব্যবহারে W চাপুন

Switch Colors পেতে হলে X

History / Art History Brush Tool ব্যবহারে Y

Zoom Tool এর জন্য Z

Hand Tool (toggle) এর ক্ষেত্রে Space

অন্যান্য শর্টকাট

ফাইল ওপেন করতে

PC এর ক্ষত্রে – CTRL + O

Mac এর জন্য- CMD + O

ফাইল সেইভ করতে

PC এর ক্ষেত্রে – CTRL + S

Mac এর জন্য – CMD + S

ফাইল ক্লোজ করতে

PC তে – CTRL + W

Mac এ – CMD + W

সিলেকশান কপি করতে

PC তে – CTRL + C

Mac এ – CMD + C

সিলেকশান পেষ্ট করতে

Pc তে - CTRL + V

Macএ – CMD + V

ফিরিয়ে আনতে

PC তে – CTRL + ALT + Z

Mac এ – CMD + ALT + Z

Invert selection

PC – CTRL + I

Mac – CMD + I

সিলেকশান বন্ধ করতে

PC তে – CTRL + D

Mac এ – CMD + D

সর্ব কিছু সিলেক্ট করতে

PC তে – CTRL + A

Mac এ – CMD + A

স্বাধীনভাবে রুপান্তর করতে

PC তে – CTRL + T

Mac এ – CMD + T

আমার পছন্দের ২ টা ট্রিক্স :

Unlock canvas: “F” কি দুইবার চাপুন, অবজেক্টকে পুরো স্ক্রীন জুড়ে দেখতে

Sub-Tools দ্রুত পেতে : সাধারনত কোন টুলসের সাব টুলস খুলতে মাউস চেপে ধরে রাখার কোন প্রয়োজন পড়ে,কিন্তু শুধু ALT চেপে মাউস ক্লিককরার মাধ্যমে সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন পরিবর্তিত সাব টুলস।

কাজ করার সময় আমার ব্যবহৃত কিছু টেকনিকঃ

এবার ফটোশপে কাজ করার সময় আমার কিছু টেকনিক শেয়ার করি

প্রথমত আমার বাম হাত সব সময় কি-বোর্ডের উপর থাকে আর ডান হাত মাউসে

পুরো পর্দায় নিয়ে আসার জন্য “F” দুইবার চাপি

Space + click অবজেক্টকে নড়ানোর ক্ষেত্রে

ALT + Scroll বিবর্ধন বাড়ানো বা কমানোর জন্য

CTRL + T যেমন তেমন ভাবে ঘুরানোর জন্য

এবার একটি মজার তথ্য দিচ্ছি, সেটা হল আপনি কিভাবে অতিস্বত্তর টুলসকে মাউসের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবহার করবেন।

উইন্ডোজের বহুল ব্যবহৃত কিছু কিবোর্ড শর্টকাট

আমাদের দেশে কম্পিউটারের বহুল প্রচলন হয়েছে বেশ অনেক দিন হল। বর্তমানে এই যন্ত্রটির সাথে পরিচিত নয় এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে না। নানা কর্ম সম্পাদনে দক্ষ এই যন্ত্র এখন আর বিস্ময়ের কোন বস্তু নয় বরং প্রাত্যহিক জীবনেরই অংশ। কম্পিউটারের সাহায্যে নানা কর্ম সহজে সম্পাদনের জন্য আমরা নানা short code ব্যবহার করি যা আমরা অনেকেই জানি। তারপরেও নতুন বাবহারকারিদের কথা মাথাই রেখে আমার এই ছোট পোস্ট ।
আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে। জটিলতা এড়াতে পোস্টের বাকি অংশ ইংলিশে থাকল। ভালো থাকবেন।Press To
CTRL+C Copy.
CTRL+X Cut.
CTRL+V Paste.
CTRL+Z Undo.
DELETE Delete.
SHIFT+DELETE Delete selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin.
CTRL while dragging an item Copy selected item.
CTRL+SHIFT while dragging an item Create shortcut to selected item.
F2 Rename selected item.
CTRL+RIGHT ARROW Move the insertion point to the beginning of the next word.
CTRL+LEFT ARROW Move the insertion point to the beginning of the previous word.
CTRL+DOWN ARROW Move the insertion point to the beginning of the next paragraph.
CTRL+UP ARROW Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph.
CTRL+SHIFT with any of the arrow keys Highlight a block of text.
SHIFT with any of the arrow keys Select more than one item in a window or on the desktop, or select text within a document.
CTRL+A Select all.
F3 Search for a file or folder.
ALT+ENTER View properties for the selected item.
ALT+F4 Close the active item, or quit the active program.
ALT+Enter Displays the properties of the selected object.
ALT+SPACEBAR Opens the shortcut menu for the active window.
CTRL+F4 Close the active document in programs that allow you to have multiple documents open simultaneously.
ALT+TAB Switch between open items.
ALT+ESC Cycle through items in the order they were opened.
F6 Cycle through screen elements in a window or on the desktop.
F4 Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer.
SHIFT+F10 Display the shortcut menu for the selected item.
ALT+SPACEBAR Display the System menu for the active window.
CTRL+ESC Display the Start menu.
ALT+Underlined letter in a menu name Display the corresponding menu.
Underlined letter in a command name on an open menu Carry out the corresponding command.
F10 Activate the menu bar in the active program.
RIGHT ARROW Open the next menu to the right, or open a submenu.
LEFT ARROW Open the next menu to the left, or close a submenu.
F5 Refresh the active window.
BACKSPACE View the folder one level up in My Computer or Windows Explorer.
ESC Cancel the current task.
SHIFT when you insert a CD into the CD-ROM drive Prevent the CD from automatically playing.

নিজে নিজে শিখুন প্রোগ্রামিং ভাষা

প্রোগ্রামিং নিয়েই যখন পোস্ট দিচ্ছি তখন প্রথমেই প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক ধারনা দিচ্ছি। সাধারনত যন্ত্র, বিশেষ করে কম্পিউটারের আচরন নিয়ন্ত্রনকারী এক ধরনের কৃত্রিম ভাষাকেই প্রোগ্রামিং ভাষা বলে। প্রোগ্রামিং ভাষার সাহায্যে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কাজ করার আদেশ দেয়া হয় এবং সে অনুযায়ীই সে কাজ করে। এটা মানুষের মুখের ব্যবহৃত প্রচলিত ভাষা থেকে ভিন্ন হলেও প্রোগ্রামিং ভাষাও সর্বদা বাক্যতাত্বিক ও অর্থপূর্ন সুশৃঙ্খল নিয়ম মেনে চলে। যে কোন প্রকার তথ্য সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস ও প্রক্রিয়াকরন এবং আলগোরিদমসমূহ সম্পূর্ন সঠিকভাবে প্রকাশ করতেই প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়। তবে কম্পিউটারে ব্যবহৃত সব ধরনের ভাষাকেই প্রোগ্রামিং ভাষা বলা হয়না। শুধুমাত্র ছোটখাটো কাজ করার জন্য ব্যবহৃত সরল কৃত্রিম ভাষাগুলোকে প্রোগ্রামিং ভাষা না বলে অনেক ক্ষেত্রে কম্পিউটার ভাষাও বলা হয়ে থাকে।
এবার আসি মূল প্রসঙ্গে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রসরের এই যুগে বর্তমানে সবারই বিজ্ঞান-প্রযুক্তির প্রতি বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এখন প্রোগ্রামার বা ডেভেলপার হতে আগ্রহী। তবে প্রতিভা থাকা সত্বেও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে কিংবা সময়ের অভাবে অনেকেই আর প্রফেশনাল প্রোগ্রামার হয়ে উঠতে পারেনা। কিন্তু এখন কেউ চাইলে ঘরে বসেই শিখে ফেলতে পারেন প্রায় সব ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা আর হয়ে উঠতে পারেন একজন তুখোর প্রোগ্রামার। আর এজন্য আপনাকে কোন অর্থও ব্যয় করতে হবেনা বা কোন সফটওয়্যারেরও প্রয়োজন হবেনা। শুধুমাত্র আপনার পিসি বা ইন্টারনেট কানেকশনই যথেষ্ট।

এতক্ষনে হয়তো আপনারাও বুঝে ফেলেছেন আমি একটি ওয়েবসাইটেরই কথা বলছি। হ্যা, প্রোগ্রামিং শেখার এমনই একটি ওয়েবসাইট হল: http://w3schools.com/
এক কথায় বলা যায় নিজেকে একজন যোগ্য এবং প্রফেশনাল প্রোগ্রামার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সকল উপকরণই রয়েছে খুবই সহজ-সরলভাবে তৈরি করা এই সাইটটিতে। এবার জানিয়ে দেই কী কী শিখতে পারবেন এই সাইটের মাধ্যমে। প্রোগ্রামিং জগতে আপনি যদি সম্পূর্ন নতুন হয়ে থাকেন তাহলে সরল HTML কম্পিউটার ভাষা দিয়েই শুরু করতে পারেন। HTML এর যেসব টিউটোরিয়াল রয়েছে তার একটি তালিকা দিচ্ছি:

১। HTML
২। HTML5
৩। XHTML
৪। CSS
৫। TCP/IP

তালিকায় লেখা নামে ক্লিক করেই আপনি সরাসরি টিউটোরিয়ালে চলে যেতে পারেন।এবার নিজে নিজেই কীভাবে শিখবেন সেটার একটা সরল উদাহরন দিচ্ছি। ধরুন আপনি HTML শিখবেন। টিউটোরিয়ালে গেলেই আপনি নিচের ছবির মত আপনার অধ্যায় দেখতে পারবেন। এখানে প্রতিটি কোডের জন্যই আলাদা করে অধ্যায় তৈরি করা আছে এবং প্রতিটি অধ্যায়েই আপনাকে নতুন কোড শিখতে দেয়া হবে:
এরপর নিচের ছবির মত Try it yourself-এ ক্লিক করে আপনি নিজেই সেটা আপনার নিজের মত করে সম্পাদনা করে চেষ্টা করতে পারবেন:
এভাবে প্রতিটি ভাষার ক্ষেত্রেই একটা অধ্যায় শেষ করে আপনি পরবর্তি অধ্যায়ে যেতে পারবেন এবং প্রতিটি নতুন অধ্যায়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করবে নতুন প্রোগ্রাম এবং যতই এগোতে থাকবেন ততই সরল থেকে জটিল প্রোগ্রামের দিকে অগ্রসর হতে থাকবেন। কিন্তু প্রতিটি অধ্যায় ভালভাবে শেষ করে গেলে সামনের অধ্যায়গুলো শিখতে আপনার কোন কষ্টই হবেনা। আর একটি ভাষা সম্পূর্নভাবে শিখে ফেলার পর আপনি বিভিন্ন মডেল টেস্টের মাধ্যমে যাচাইও করে নিতে পারবেন যে আপনি কতটুকু শিখেছেন। আরও কী কী টিউটোরিয়াল ও স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে শিখতে পারবেন তারও একটি তালিকা দিয়ে দিচ্ছি:
ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং:

১।JavaScript
২। HTML DOM
৩। DHTML
৪। VBScript
৫। AJAX
৬। jQuery
৭। E4X
XML টিউটোরিয়াল:

১। XML
২। DTD
৩। XML DOM
৪। XSLT
৫। XPath
৬। XQuery
৭। XLink
৮। XPointer
৯। Schema
১০। XSL-FO
১১। XForms
সার্ভার স্ক্রিপ্টিং:

১। SQL
২। ASP
৩। ADO
৪। PHP
৫। ASP.NET
৬। .NET Mobile
ওয়েব সার্ভিস:

১। Web Services
২। WSDL
৩। SOAP
৪। RSS
৫। RDF
৬। WAP
৭। WMLScript
মাল্টিমিডিয়া:

১। Media
২। SMIL
৩। SVG
৪। Flash
ওয়েব বিল্ডিং:

১।Web Building
২।Web Browsers
৩।Web Certification
৪। Web Hosting
৫। Web W3C
৬। Web Quality
৭। Web Semantic

তাছাড়া আপনি যদি একজন দক্ষ প্রোগ্রামারও হয়ে থাকেন তাহলেও সাইটটি আপনার অনেক উপকারে আসবে কারন সাইটটিতে রয়েছে প্রায় সব ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষার উপর শত শত কুইজ এবং শত শত উদাহরন। যেসব বিষয়ে উদাহরন ও কুইজ রয়েছে তারও একটি তালিকা দিচ্ছ:
উদাহরণ:

» HTML Examples
» CSS Examples
» XML Examples
» JavaScript Examples
» HTML DOM Examples
» XML DOM Examples
» DHTML Examples
» AJAX Examples
» VBScript Examples
» ASP Examples
» ADO Examples
» ASP.NET Examples
» SVG Examples
» WAP Examples
কুইজ:

» HTML Quiz
» XHTML Quiz
» CSS Quiz
» JavaScript Quiz
» XML Quiz
» SQL Quiz
» ASP Quiz
» PHP Quiz
» jQuery Quiz


তাহলে আর দেরি কেন? এখনই বসে পড়ুন কম্পিউটারের সামনে আর ইন্টারনেট কানেক্ট করে ঢুকে পড়ুন W3SCHOOL-এ আর হয়ে উঠুন একজন প্রফেশনাল প্রোগ্রামার বা ডেভেলপার।



বুধবার, জানুয়ারি ১১

প্রয়োজনীয় কিছু ফ্রী সফটওয়্যার

কম্পিউটারের প্রতিটি কাজেই কোন না কোন সফটওয়্যার এর প্রয়োজন হয়। শত শত সফটওয়্যার থেকে প্রয়োজনীয়টি খুজে পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। আজ আমি আপনাদের কয়েকটি ফ্রী সফটওয়্যার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। আপনারা অনেকেই হয়তো এগুলো আগে থেকেই ব্যবহার করছেন। তবে এই পোস্টে দেয়া প্রায় সবগুলো সফটওয়্যারই বেশ কাজের কিন্তু ফ্রী।
অরবিট ডাউনলোডার

সাধারনত ব্রাউজারের ডিফল্ট ডাউনলোডার দিয়ে ফাইল ডাইনলোডের সময় ইচ্ছামত লোডিং বন্ধ অথবা চালু করা যায়না। তবে আপনি চাইলে খুব সহজেই এটি নিয়ন্ত্রন করতে পারেন অরবিট ডাইনলোডার দিয়ে। ফাইল কাস্টমাইজ করারও সুবিধা আছে:
ডিআইভি এক্স প্লেয়ার

উন্নতমানের ভিডিও এই প্লেয়ারটি অনেক জনপ্রিয়…মানহীন ভিডিও গুলোও উন্নতমানের ভিডিও ফাইলের মত প্রদর্শন করতে সক্ষম…সমর্থন করে ডিআইভিএক্স, এভিআই, এমকেভি,এমওভি এবং এমফি ফোরসহ আরও অনেক ফরম্যাট:
ট্রান্সমিউট বুকমার্ক ম্যানেজার

বুকমার্ক হিসেবে ইউআরএল সংরক্ষন করে তা কেবল একটি ব্রাউজারে সংরক্ষন করা যায়…যে কোন ব্রাউজারে একবার বুকমার্কস সেভ করে তা ব্যবহার করতে পারেন সব ব্রাইজারেই:

ডাউনলোডঃ
ভিএলসি প্লেয়ার

এটি এমন একটি মিডিয়া প্লেয়ার যেটিতে চলে না এমন কোন অডিও/ভিডিও ফরমেট নেই। এই একটি প্লেয়ার ইন্সটল করলে আর কোন মিডিয়া প্লেয়ার ইন্সটল না করলেও চলবে।

ডাউনলোডঃ